
আমরা কীভাবে এমন ওয়াটারপ্রুফ হিটার তৈরি করি, যেগুলো বাইরেও কার্যকরভাবে কাজ করে? কেউই ঠান্ডা বাতাসে থাকতে পছন্দ করে না। এটা খুবই অস্বস্তিকর। এই সমস্যা সমাধান করতে আমরা শর্টওয়েভ ইনফ্রারেড প্রযুক্তি ব্যবহার করি। গোপন রহস্যটি হলো: এই হিটারগুলো বাতাসকে গরম করার চেষ্টা করে না। কারণ বাতাস খুবই চঞ্চল; এটা সহজেই চলে যায়। বরং, এগুলো সরাসরি ত্বকে তাপ পাঠায়। এর ফলে আপনি যখন এর নিচে দাঁড়ান, তখনই আপনি আরামদায়ক অনুভূতি পান। সঠিক তাপ পাওয়ার জন্য… আমরা উচ্চ-তাপমাত্রার ইমিটার ব্যবহার করি; কারণ এগুলো কোনো ব্লোয়ার ছাড়াই ঘরের সর্বত্র তাপ পাঠাতে পারে। আপনি যেখানেই থাকুন না কেন, উষ্ণতা ঠিক সেখানেই থাকে। কিন্তু উচ্চতাটা ঠিক রাখা দরকার। যদি এগুলো খুব উঁচুতে স্থাপন করা হয়, তাহলে তাপ আপনার কাছে পৌঁছানোর আগেই অদৃশ্য হয়ে যাবে। আবার, যদি খুব নিচে স্থাপন করা হয়, তাহলে মনে হবে যেন আপনি ক্যাম্পফায়ারের খুব কাছে দাঁড়িয়ে আছেন। আমরা ওয়াটেজ ঠিক করতে অনেক সময় ব্যয় করি, যাতে আপনার জন্য সঠিক তাপমাত্রা পাওয়া যায়। বাইরের পরিবেশের সাথে মোকাবিলা… বাইরের বাতাস খুবই কঠোর। আর্দ্রতা ও লবণাক্ত বাতাসের কারণে সাধারণ ইলেকট্রনিক্স জিনিসগুলো নষ্ট হয়ে যায়। এই কারণেই আমরা এগুলোকে IP65 মানদণ্ড অনুযায়ী তৈরি করি। সহজ ভাষায় বললে, ধুলো ভিতরে ঢুকতে পারে না; আর যেকোনো দিক থেকে জল ছিটালেও কোনো সমস্যা হয় না। আমরা টেম্পার্ড গ্লাস ও অ্যালয় ব্যবহার করি; যাতে সময়ের সাথে সাথে এগুলো ক্ষয় না হয়। আমরা অভ্যন্তরীণ ওয়্যারিংগুলোকেও ইনসুলেট করি; কারণ আর্দ্রতার কারণে শর্ট সার্কিট হতে পারে, আর কেউই ভেজা ঘরে শর্ট সার্কিট চায় না। মনে রাখার কয়েকটি বিষয়… এগুলোকে বেশিরভাগ কমার্শিয়াল সিস্টেমে সহজেই সংযুক্ত করা যায়। কিন্তু একটি বিষয় মনে রাখবেন: উচ্চ-ওয়াটেজের ইনফ্রারেড হিটারগুলো অনেক বিদ্যুৎ ব্যবহার করে। এগুলো স্থাপন করার আগে অবশ্যই ব্রেকারগুলো চেক করুন; নইলে আপনি অন্ধকারেই থাকবেন। আর মনে রাখবেন, যদিও এগুলোর ভিতরের অংশটি সীলড থাকে, কিন্তু কাঁচের অংশটি খুবই গরম হয়। তাই এগুলোকে পর্দা বা অন্য কোনো জ্বলনশীল জিনিসের কাছে রাখবেন না। মনে রাখবেন, এগুলো পুরো এলাকার তাপমাত্রা পরিবর্তন করার জন্য তৈরি হয়নি। এগুলো শুধুমাত্র সেই জায়গায় তীব্র তাপ পাঠানোর জন্যই তৈরি হয়েছে, যেখানে মানুষদের সবচেয়ে বেশি তাপের প্রয়োজন।